মহাকাশ অবজারভেটরি হিসেবে ১
📰
মহাকাশ অবজারভেটরি হিসেবে ১৭২৪ সালে যে যন্তর মন্তর গড়া হয়েছিল, দিল্লির সেই প্রাচীন মানমন্দিরের উপরেই ২০২৬ সালে সারা বিশ্বের নজর পড়েছে। নেপথ্যে জেন-জি আন্দোলন।
বলা হয়, দিল্লির যন্তর মন্তরে সূর্যের রশ্মি ঘড়ির কাঁটা মেপে চলে। সেখানেই ভারতের কৃষক, নারী, সৈনিক, কুস্তিগীর, ছাত্র ও যুবরা বছরের পর বছর ধরে কর্মসূচি পালন করে সরকারের কাছে ন্যায়বিচারের দাবি করে আসছেন।
দিল্লির কনট প্লেসের ঔপনিবেশিক আমলের সাদা রঙের ভবনগুলি ছাড়িয়ে সূর্য রশ্মি যখন আরও ওপরে উঠে যায়, তখন তার ছায়া যন্তর মন্তরের লাল পাথরের ওপর গিয়ে পড়ে।
ওই সূর্য রশ্মি যদিও স্লোগান দেয় না, রাস্তা অবরোধ করে না, বা পুলিশের কাছে অনুমতিও চায় না। পৃথিবী তার নিজের অক্ষে ঘোরে, আর যন্তর মন্তরের লাল পাথরগুলো সেই গতি মেপে সময়ে রূপান্তরিত করে দেওয়ার কাজ করছে বছরের পর বছর।
কিন্তু সম্প্রতি এই ঐতিহাসিক যন্তর মন্তর থেকে কয়েক পা দূরে, পার্লামেন্ট মার্গ সরণিতে সময়ের অন্য এক হিসাব নিকাশ চলতে থাকে।
বিজ্ঞাপন
অনশন করে, পুলিশি হেফাজতে, সরকারি আশ্বাসে ভর করে, বছরের পর বছর ধরে না হওয়া চাকরির দাবি এবং ন্যায়বিচারের জন্য অপেক্ষায় কাটানো এক একটা মানুষের যৌবন কেটে যাচ্ছে এই যন্তর মন্তরে।
অশোকা রোড এবং টলস্টয় মার্গের মাঝের এই সাধারণ, বাঁকানো রাস্তাটি দিল্লির কাছে গ্রেটার লন্ডনের হাইড পার্কের সমতুল্য হয়ে উঠেছে। এই স্থান এতটাই দৃশ্যমান, প্রতীকী, এবং ক্ষমতার অলিন্দের এতটাই কাছাকাছি যে একে উপেক্ষা করা অসম্ভব।
গত কয়েক মাসে, জেন-জি এই পুরোনো বাঁধানো পথে নতুন গতি সঞ্চার করেছে। ২০২৬ সালের মে মাসে অনলাইনে জন্ম নেওয়া এক ব্যঙ্গাত্মক প্রতিক্রিয়া থেকে জন্ম নেওয়া 'ককরোচ জনতা পার্টি'-র আন্দোলনের ঢেউ এই ঐতিহাসিক ভূখণ্ডেই আছড়ে পড়েছে।
বলা হয়, দিল্লির যন্তর মন্তরে সূর্যের রশ্মি ঘড়ির কাঁটা মেপে চলে। সেখানেই ভারতের কৃষক, নারী, সৈনিক, কুস্তিগীর, ছাত্র ও যুবরা বছরের পর বছর ধরে কর্মসূচি পালন করে সরকারের কাছে ন্যায়বিচারের দাবি করে আসছেন।
দিল্লির কনট প্লেসের ঔপনিবেশিক আমলের সাদা রঙের ভবনগুলি ছাড়িয়ে সূর্য রশ্মি যখন আরও ওপরে উঠে যায়, তখন তার ছায়া যন্তর মন্তরের লাল পাথরের ওপর গিয়ে পড়ে।
ওই সূর্য রশ্মি যদিও স্লোগান দেয় না, রাস্তা অবরোধ করে না, বা পুলিশের কাছে অনুমতিও চায় না। পৃথিবী তার নিজের অক্ষে ঘোরে, আর যন্তর মন্তরের লাল পাথরগুলো সেই গতি মেপে সময়ে রূপান্তরিত করে দেওয়ার কাজ করছে বছরের পর বছর।
কিন্তু সম্প্রতি এই ঐতিহাসিক যন্তর মন্তর থেকে কয়েক পা দূরে, পার্লামেন্ট মার্গ সরণিতে সময়ের অন্য এক হিসাব নিকাশ চলতে থাকে।
বিজ্ঞাপন
অনশন করে, পুলিশি হেফাজতে, সরকারি আশ্বাসে ভর করে, বছরের পর বছর ধরে না হওয়া চাকরির দাবি এবং ন্যায়বিচারের জন্য অপেক্ষায় কাটানো এক একটা মানুষের যৌবন কেটে যাচ্ছে এই যন্তর মন্তরে।
অশোকা রোড এবং টলস্টয় মার্গের মাঝের এই সাধারণ, বাঁকানো রাস্তাটি দিল্লির কাছে গ্রেটার লন্ডনের হাইড পার্কের সমতুল্য হয়ে উঠেছে। এই স্থান এতটাই দৃশ্যমান, প্রতীকী, এবং ক্ষমতার অলিন্দের এতটাই কাছাকাছি যে একে উপেক্ষা করা অসম্ভব।
গত কয়েক মাসে, জেন-জি এই পুরোনো বাঁধানো পথে নতুন গতি সঞ্চার করেছে। ২০২৬ সালের মে মাসে অনলাইনে জন্ম নেওয়া এক ব্যঙ্গাত্মক প্রতিক্রিয়া থেকে জন্ম নেওয়া 'ককরোচ জনতা পার্টি'-র আন্দোলনের ঢেউ এই ঐতিহাসিক ভূখণ্ডেই আছড়ে পড়েছে।